09 Sep 2016

হোস্টিং সার্ভিস গ্রহণের আগে জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

global-ecommerce-750x400র্স্মাট হোস্টিং এখন সময়ের দাবী।  বাংলাদেশে  এখন  Pure SSD Hosting , Clustered Cloud Hosting , Domain Register ও SSL Certificate  এসব সার্ভিস দিয়ে অনেকেই হোস্টিং সুবিধা দিচ্ছেন। ফলে বিশ্বস্ততার পাশাপাশি সাশ্রয়ী হয়ে গেছে দেশীয় হোস্টিং সেবা। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে হোস্টিং কোম্পানীগুলো বিভিন্ন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের অফার বা সুবিধা ঘোষনা করে থাকে।  এসব সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোম্পানীর মান ও তাদের সার্ভিসের ইতিহাস যাচাই বাছাই না করে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। প্রযুক্তি সেবা একটি স্পর্শকাতর বিষয় আমাদের প্রত্যেকের উচিত এসব সেবা নিয়ে কাজ করার পূর্বে এগুলো সম্পর্কে জ্ঞান নেয়া যে ফার্মের কাছ থেকে সেবা নিচ্চি তাদের সম্পর্কে খোজ খবর রাখা।

আজকাল অনেক কোম্পানীরই কল সেন্টার রয়েছে। রয়েছে কাস্টমার সার্ভিসের জন্য 24/7  সার্পোট, এতে করে কোম্পানীর ওয়েব সাইট ভিজিট এর পাশাপাশি ফোন করেও তাদের সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে। এবং সার্ভিস গ্রহণকালীন  যে কোন সম্যসায় সাপোর্ট নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি সময় ধরে  এস এস ডি হোস্টিং এর ব্যাপারে জনসচেতনতা বেড়েছে এবং এসএসডি হোস্টিং জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রথম দিকে এস এস ডি হোস্টিং তুলনামুলক ব্যয়বহুল হলেও এখন অনেকেই সাশ্রয়ী মূল্যে এস এস ডি হোস্টিং সেবা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি কোম্পানী  নিষ্ঠার সাথে তাদের সেবা প্রদান করে আস্থা অর্জণ করতে সমর্থ হয়েছে। পেশাদার হোস্টিং ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত  নতুন নতুন ফিচার যোগ করে তাদের ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে। আজ Clustered Cloud Hosting ও এসে গেছে দেশীয় সেবাগ্রহণকারীদের দোরগোড়ায়।

Clustered Cloud Hosting :

Clustered Cloud Hosting হলো অসংখ্য সার্ভারের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিস্টেম। এই সার্ভার গুলো হাডওয়্যার ও সফটওয়্যার একই ধরনের হয়। Clustered Cloud Hosting এর কোন ডাউন টাইম থাকে না। এমনকি আপনার সাইটে ভিজিটর সংখ্যা হঠাৎকরে বেড়ে গেলেও আপনার সাইটে কোনো সম্যসা হবে না। এমনকি ক্লাস্টারড ক্লাউড হোস্টিং যদি কোন রিপেয়ারিং এর  কাজ চলে তাতেওআপনার সাইট  ডাউন হবে না ।  অনেকগুলো সার্ভারের সমন্বয়ে গঠিত এই সিস্টেমের প্রতিটি সার্ভারকে বলে একটি নোড, মজার ব্যাপার হলো,  কোনো একটি নোড যদি অফলাইন হয়ে যায় তাতেও ক্লাস্টারড ক্লাউড হোস্টিং সার্ভার অনলাইন থাকবে। বিশেষ করে আপনি যদি বড় ধরনের Blog , ডেটা ভিত্তিক সাইট, E – Commerce সাইট,  অনলাইন প্রত্রিকা, Corporate web সাইট, ইয়োলো পেইজ, ডাইরেক্টরী এবং বিভিন্ন ধরনের Mobile Apps  ও Software  সেবা এমনকি গেমস আপনার সাইটে দিতে চান। তাহলে আপনার অবশ্যই Clustered Cloud Hosting এবং এসএসডি হোস্টিং ভিত্তিক সেবা গ্রহণ করা উচিত কারণ  শের্য়াড হোস্টিং এ কিছুটা হলেও্ ডাউন টাইম থাকবে , এই ডাউন টাইম কিছুটা হলেও আপনাকে পিছনে ফেলে দেবে। আর ক্লাস্টারড ক্লাউড হোস্টিং  এ কোন ডাউন টাইম থাকেই না। এসব তথ্য যত জানবেন তত আপনার সিদ্ধান্তগ্রহণ পক্রিয়া সহজ হবে। এজন্য জানার ব্যাপারটাকে কখনোই হালকা করে দেখবেন না। কারণ জানতে চাইলে আজকাল সেটা কোনো কঠিন বিষয় নয়।

 SSD Hosting  :

বর্তমানে সারা বিশ্বের ন্যায় আমাদের দেশীয় ভোক্তারা আজকাল শেয়ার্ড ডিস্ক হোস্টিং এর বদলে আধুনিক এস এস ডি হোস্টিং ব্যবহার করছে। কারণ এস এস ডি হোস্টিং এর গতি হার্ডডিস্ক হোস্টিং থেকে 20 গুণ বেশী । এমনকি স্ট্যান্ডারড হার্ডডিস্ক হোস্টিং ব্যবহার করা সার্ভার তুলনামূলক স্লো থাকে কিন্তু ‍ SSD Drive গুলো বেশ গতিশীল। ফলে  আপনার সাইট এর পেজ লোড নিতে সময় লাগবে অনেক কম এতে ভিজিটর সন্তুষ্টি বাড়বে এবং আপনার বাউন্স রেটও কমে যাবে। সূতরাং কেন আপনি Pure SSD Hosting ব্যবহার করবেন  এ ব্যাপারে আর কিছু বলার অপেক্ষা রাখেনা।

 

আসুন আপনার হোস্টিং সেবা গ্রহণের সময় আপনি কি কি কোয়ারী রাখবেন সেগুলো জেনে নেয়া যাক। আমি বলতে চাছ্ছি যে ফিচারগুলো থাকলে আপনি বেটার নয় বরং বেস্ট সার্ভিসটি পাবেন, মানে এই বিষয়গুলো আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:

  • বাজারে সেবা দেয়ার ব্যাপারে কোম্পানীর সুনাম আছে কিনা?
  • সময়মত যেকোনো বিষয়ে রিপ্লাই দেয় কিনা?
  • অন্যান্য নরমাল স্ট্যান্ডারড হোর্স্টিং থেকে ২০ গুন বেশী গতিসম্পন্ন কিনা?
  • Clustered Cloud Hosting এনশিউর কিনা? এটা বর্তমান সময়ের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
  • লেটেস্ট সি প্যানেল সংযক্ত করা হয়েছে কিনা? লেটেস্ট সি প্যানেল এর অনেক সুবিধা রয়েছে।
  • সর্বোচ্চ আপটাইম কিনা? যত বেশী আপটাইম হবে তত ভালো। বাংলাদেশে ৯৯% আপটাইম দিয়ে থাকে কেউ কেউ।
  • ক্লাউড লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কিনা? এটা অনেক বেটার।
  • সুপার ফাস্ট পিউর এস এস ডি স্পেস কিনা? বর্তমানে এসএসডি ছাড়া হোস্টিং নেয়া ঠিক নয়।
  • সিএমএস (ওর্য়াডপ্রেস) ও ইকর্মাস অপটিমাইজড কিনা?
  • রিনিউ করার জন্য কতদিন আগে নোটিশ করবে?
  • সময়মত রিনিউ করতে না পারলে কতদিনের সুযোগ দেবে?
  • গ্রীন ডেটা সেন্টার সংযুক্ত কিনা?
  • সফটাকোলাউস অটো অ্যাপস ইন্সটলার আছে কিনা?
  • কোম্পানীর পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিক কিনা? অনলাইনে পেমেন্ট করা সহজ কিনা?
  • প্রথম বছর ফি কম নিয়ে দ্বিতীয় বছর দ্বিগুন নেবে কিনা?
  • আপনার হোস্টিং কন্ট্রোল আপনার হাতে থাকবে কিনা?
  • ই মেইল সুবিধা কেমন হবে?
  • সুপার ফাস্ট ও সিকিউর হোস্টিং কিনা?
  • ফ্রী ওয়েব সাইট ট্রান্সফার আছে কিনা? থাকলে ভালো।
  •  স্কাইপে / ফোন / ইমেইল / ওয়েব চ্যাট সিস্টেম মাধ্যমে ডেডিকেটেড সার্পোট সংযুক্ত কিনা?
  • কোন লুকায়িত চার্জ নেই বা সেটআপ ফী আছে কিনা?

এসব টেকনিক্যাল বিষয় ছাড়াও আপনার ব্যবসায়ের ধরণ ও সাইটের প্রকৃতি অনুসারে আপনার আরো যেসব সুযোগ সুবিধা প্রয়োজন সেগুলো আপনি নোট ডাউন করে নিন এবং একটা একটা করে আলোচনা করে এবং সেবা প্রদানকারীর সার্ভিস ফিচার দেখে সব আগেই বুঝে নিন। যাতে পরবর্তীতে এটা নিয়ে আপনাকে কোনো ঝামেলায় পড়তে না হয়। ছাড়া কোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসা থাকলে-এখানে লিখুন।

সুত্রঃ e-CAB ব্লগ।

Share this
09 Sep 2016

ডোমেইন ক্রয় এবং ম্যানেজমেন্ট

domains

ডোমেইন ক্রয় করাঃ

যেহুতু আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন যা আপনার প্রতিষ্ঠানকে মানুষের কাছে প্রেজেন্ট করবে তাই এই ওয়েবসাইট এর কিছু বিষয় অবশ্যই গুরত্ত দিতে হবে। প্রথম একটি বিষয় ডোমেইন ক্রয় করা যা অনেকেই খুব একটা গুরত্ত দেয় না। নিচের বিষয় গুলো গুরত্ত সহকারে দেখবেন।

  • ডোমেইন আপনার সাইটের পরিচয় সুতরাং সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করুন।
  • ডোমেইন অবশ্যই আপনার কোন ডোমেইন প্রভাইডার থেকে কিনতে হবে। কিন্তু কার কাছ থেকে কিনবেন? অনলাইনে খুজলে হাজার হাজার ডোমেইন প্রভাইডার পাবেন। কিন্তু তাঁরা কতটা বিশ্বাস যোগ্য সেটাও দেখে নিতে হবে। কারণ আপনার ডোমেইন আপনার প্রভাইডার ও কন্ট্রোল করতে পারে। ডোমেইন এর জন্য জনপ্রিয় এবং বিশ্বাস যোগ্য প্রতিষ্ঠান আমার মতে Godaddy.com  তাছারা বাংলাদেশ থেকেও ডোমেইন কিনতে পারেন তবে অবশ্যই কোম্পানি রিভিউ এবং বিশ্বাস যোগ্যতা পরিমাপ করে নিবেন। কেননা ডোমেইন কিনে প্রতারিত হয়েছেন এমন ঘটনা এখন আর বিরল নয়।
  • ডোমেইন কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন যেন আপনার নাম, ঠিকানা দিয়ে হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
  •  যাদের কাছ থেকে ডোমেইন হোষ্টিং নিলেন তাদের থেকে একটি ক্যাশমেমো সরাসরি কিংবা মেইলে নিয়ে নিন। মেইলে নিলে মেইলটি অবশ্যই সেইভ রাখুন।
  • ডোমেইন সিপ্যানেল ছাড়া ডোমেইন ক্রয় করা এক ধরনের বোকামি। ধরুন, আপনি যার কাছ থেকে ডোমেইন কিনলেন কিছুদিন পরে সে ব্যবসা বন্ধ করে দিল বা তার সাথে আপনার কোন কিছু নিয়ে দ্বন্দ হল এখন আপনি কিভাবে আপনার সাইটটি সেইভ করবেন। ডোমেইন সিপ্যানেল ছাড়া কেউই আপনাকে সাহায্য পাবেন না। [ সিপ্যানেল অর্থাৎ কন্ট্রোল প্যানেল ]
  • ডোমেইন কেনার আগে জিজ্ঞাস করে নিন Domain Secret বা EPP কোড দিচ্ছে কিনা।  [ Domain Secret বা EPP কোড অন্য কোন ডোমেইন কোম্পানিতে আপনার ডোমেইন ট্রান্সফার করতে কাজে লাগবে।  ]

ডোমেইন ম্যানেজমেন্টঃ

ডোমেইন ম্যানেজমেন্ট খুব ই সহজ একটি কাজ । নিচের ছবিতে আমরা সাধারণ একটি ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল দেখতে পাচ্ছি।

আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য ছবিতে যে ৫ টি বিষয় আছে তা অবশ্যই জানতে হবে। ছবিটি তে ৫ টি বিষয় লাল রঙের নাম্বার দিয়ে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করছি।

      ১. Contact Details: এখানে দেখতে পারবেন ডোমেইন টি কি নামে বা কোন ই-মেইল আইডি দিয়ে রেজিস্টার করা আছে। তাই ডোমেইন    নেয়ার পর এটা যাচাই করে নিতে পারেন।

      ২. Privacy Protection: এটি যদি আপনি অন করে রাখেন কেউ দেখতে পারবে না আপনার ডোমেইন এর মালিক কে। অনেক সময় ওয়েবসাইট এর ডোমেইন এর মালিক এর ই -মেইল আইডি তে স্পামিং হয় তাই সম্ভব হলে এটা অন করে রাখবেন। এটা অন করে রাখার জন্য প্রতি বছর আপনার ২-৩ ডলার খরচ করতে হবে।

      ৩.  Name server: আপনার হোস্টিং প্রভাইডার আপনাকে ২ টি বা ৩টি Name Server দিবে। দেখতে অনেকটা নিচের ২ টির মত হবে।

ns1.awesomehostbd.com

ns2.awesomehostbd.com

       ৪. Domain Secret: এটা জানার আগে একটু জেনে নেই ডোমেইন ট্রান্সফার কি ?  সহজ ভাবে এক রেজিস্টার থেকে অন্য রেজিস্টারে ডোমেইন হস্তান্তর করা কে ডোমেইন ট্র্যান্সফার বলে । কেন ডোমেইন ট্রান্সফার করতে হয়?  সাধারণত প্রোভাইডার এর প্রাইসিং ব্যবধান এবং সার্বিস এবং সাপোর্ট এই তিনটি কারণে ডোমেইন ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে । তবে আমাদের দেশে আরেকটি মেজর কারণে ক্লায়েন্ট ডোমেইন ট্র্যান্সফার করে থাকে , তা হচ্ছে প্রোভাইডারের স্বচ্ছতা বা বিশ্বস্ততা । ডোমেইন ট্র্যান্সফার করতে আপনার ডোমেইনটির নিয়ন্ত্রণ আপনার কাছে থাকা চাই । ডোমেইন ট্রান্সফার করতে আপনার প্রধানত দুটি জিনিস হলেই সম্ভব তা হল “ডোমেইন ট্র্যান্সফার কোড” এটা ভিবিন্ন নামে হতে পারে প্রোভাইডার ভেদে নামের ভিন্নতা থাকতে পারে । যেমন – auth code,transfer key, transfer secret , secret code , EPP code, EPP authentication code, or EPP । এবং দ্বিতীয় হল, যে ইমেইল দিয়ে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা আছে তার এক্সেস ।অর্থাৎ ডোমেইন এডমিন ইমেইল । কেননা , ট্রান্সফার রিকুয়েস্ট এর পর আপনার কাছে অনুমতি চেয়ে একটা মেইল যাবে , যা থেকে আপনাকে সম্মতি দিতে হবে । আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

      ৫। Theft Protection: ডোমেইন নেয়ার পর এটি অবশ্যই enable করে নিতে হবে। তাহলে কেউ যদি আপনার EPP কোড পেয়েও যায় সে ডোমেইন অন্য কোথাও ট্রান্সফার করে নিতে পারবেনা।

শেষ কথাঃ কখনো সস্তার পিছনে ছুটবেন না কারণ আসল জিনিসের দাম একটু বেশি। এখন অনেকেই ৪০০ -৫০০ টাকায় ডোমেইন দেয়ার কথা বলবে তাঁদের থেকে ডোমেইন না নেয়াই ভাল। ICANN এ ডোমেইন এর সর্বনিম্ন প্রাইজ ৫৬০টাকার উপরে। বিশ্বের টপলেভেল ডোমেইন নিয়ন্ত্রক সংস্থা হল ICANN । মূলত ICANN থেকেই বিভিন্ন রেজিস্টার, সাব-রেজিস্টার এর মাধ্যমে ডোমেইন বণ্টন করা হয় । এবং শর্ত ভঙ্গ করলে যেকোনো সময় ডোমেইন বন্ধ করার ক্ষমতা রাখে । আর যদি নেন তাহলে সম্পূণ কন্ট্রোল প্যানেল নিবেন এবং ডোমেইন লক ব্যাবহার করবেন ।  ডোমেইন কেনার সময় privacy protection fee included কিনা, + আরও কী কী এক্সট্রা feature দিচ্ছে, এগুলোর জন্য আলাদা ফী নিচ্ছে কিনা দেখে নিতে হবে।

এছাড়া কোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসা থাকলে-এখানে লিখুন

সুত্রঃ e-CAB ব্লগ।

Share this

© 2016 Awesome Hosting. All rights reserved.